BDWORLD 

শিখি জানি কে আমাদের -সৃষ্টিকর্তা

বেদের সহজ সরল নিরাকার একেশ্বরবাদ যা তারা বিকৃত করে ফেলেছে-
()ছান্দেগ্য উপনিষদের নম্বর অধ্যায়ের নম্বর পরিচ্ছেদের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায় - “একাম এবাদ্বিতীইয়ম”
অর্থ- ‘‘স্রষ্টা মাত্র একজনই দ্বিতীয় কেউ নেই’’।
[2]Shvetashvata ra Upanishad Ch.6 V.9
(
)শ্বেতাশ্বতর উপনিষদদের ৬নম্বর অধ্যায়ের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে
সংস্কৃত ভাষায় –“না চস্য কসুজ জানিত না কধিপহ”
অর্থ- “সর্ব শক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই, তাঁর কোন প্রভু নেই
সর্ব শক্তিমান ঈশ্বরের বাবা নেই,মা নেই, তাঁর চেয়ে বড় কেউ নেই”
[3] Shvetashvatara Upanishad Ch.4 V.19
(
) শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের ৪নম্বর অধ্যায়ের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায় - “ন তস্য প্রতিমাঃ আস্তি”
অর্থ- “সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন প্রতিমা নেই,প্রতিমূর্তি নেই,প্রতিকৃতি নেই, কোন রূপক নেই,কোন ছবি নেই ,কোন ফটোগ্রাফ নেই ,তাঁর কোন ভাস্কর্য ,তাঁর কোন মূর্তি নেই”
[4] Shvetashvatara Upanishad Ch.4 V.20
(
) শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের ৪নম্বর অধ্যায়ের ২০ নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায় - “ন চাক্ষুসা পস্যতি চাস কানৈঅম”
অর্থ- “সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পায় না”
[5]Yajurveda Ch.32 V.3
(
)যজুবেদের ৩২ নম্বর অধ্যায়ের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায় – “ন তস্য প্রতিমা আস্তি”
অর্থ- “সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন মূর্তি নেই”
[6] Yajurveda Ch.40 V.8
(
) যজুবেদের ৪০ নম্বর অধ্যায়ের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে
“সর্বশক্তিমান ঈশ্বর নিরাকার ও পবিত্র’’
[7]Yajurveda Ch.40 V.9
(
) যজুবেদের ৪০ নম্বর অধ্যায়ের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায় –“অন্ধতম প্রভিশ্যন্তি য়ে অসম্ভূতি মুপাস্তে”
অর্থ- “তারা অন্ধকারে প্রবেশ করে যারা প্রাকৃতিক বস্তুর পূজা করে ।যেমনঃ আগুন,পানি ,বাতাস। এখানে আরও উল্লেখ আছে তারা আরও অন্ধকারে প্রবেশ করে যারা সম্ভুতির পূজা করে। সম্ভুতি হল মানুষের তৈরী বস্তু যেমন চেয়ার, টেবিল,ইত্যাদি ।এ কথা বলা হয়েছে যজুবেদের ৪০ নম্বর অধ্যায়ের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে”।
[8]Atharvaveda Bk.20 Hymn58 V.3
(
)অথর্ববেদের২ নম্বর অধ্যায়ের ৫৮ নম্বর শ্লোকের নম্বর অনুচ্ছেদে আছে-
সংস্কৃত ভাষায়-“দেব মহা অসি”
অর্থ- “সৃষ্টিকর্তা সুমহান”।
---------------------*-----------------

ছোটবেলা থেকে হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলো নাম শুনলেই হাসি পেত, মানুষের রচিত রুপকথার গল্পে ভরপুর। কিন্তু জাকির নায়েকের কল্যানে জানতে পারলাম, এসব গ্রন্থও সত্য গ্রন্থ। আসুন দেখি এসব গ্রন্থের ঐশি বানীর কিছু প্রমান (কপি পেস্টিত)-

অথর্ববেদে মুহাম্মদ (স.) সম্পর্কে আরো ভবিষ্যৎবাণী আছে। ২০নং গ্রন্থে ২১নং অনুচ্ছেদের ৬নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- এখানে আহযাবের যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে, এই ঋষিকে রক্ষা করা হবে দশ হাজার শত্রুর কবল থেকে আর তিনি এ যুদ্ধে বিজয়ী হবেন লড়াই না করেই। তিনি একজন কারু। সংস্কৃত ‘কারু’ শব্দের অর্থ যে ব্যক্তি প্রশংসা করে। আরবি অর্থ করলে হবে ‘আহমাদ’, যেটা নবীজির আরেকটা নাম। বলা হয়েছে, তিনি লড়াই না করেই এ যুদ্ধে জিতবেন। আহযাবের যুদ্ধে লড়াই না করে মুসলিমরা জয় লাভ করেন।

আমরা জানি, আহযাবের যুদ্ধে শত্রু পক্ষের সৈন্য ছিল প্রায় দশ হাজার। অথর্ববেদের ২০নং গ্রন্থের ২১ অনুচ্ছেদের ৭নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- মহান ঈশ্বর ক্ষমতাচ্যুত করবেন ২০ জন রাজাকে। আর তিনি রক্ষা করবেন আবান্দুকে ষাট হাজার নব্বইজন সেনার কবল থেকে। সংস্কৃত ‘আবান্দু’ অর্থ এতিম। ‘আবান্দু’ শব্দের আরেক অর্থ প্রশংসনীয়। নবীজি মুহাম্মদ (স.)-এর নাম ‘মুহাম্মদ’-এটার অর্থ হলো প্রশংসনীয়। আর ‘আবান্দু’ শব্দের আরবি করলে হবে ‘মোহাম্মদ’ (স.)। বলা হয়েছে, ঈশ্বর ক্ষমতাচ্যুত করবেন ২০ জন রাজাকে। আর আমরা জানি তখনকার দিনে মক্কাতে আনুমানিকভাবে ২০টি আলাদা গোত্র ছিল। হযরত মুহাম্মদ (স.) সবাইকে জয় করেন। আর সে সময় যারা নবীজি (স.)-এর সাথে বিরোধিতা করেছিল তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট হাজার।


এ একই ভবিষ্যদ্বাণীটি ঋগবেদেও করা হয়েছে। ১নং গ্রন্থ ৫৩নং অনুচ্ছেদের ৯নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- এখানে তাকে বলা হয়েছে ‘সুষরামা’। ‘সুষরামা’ শব্দের অর্থ যে ব্যক্তি প্রশংসনীয়। যেটা আমাদের নবীজির নামের অর্থ। নবীজির কথা ভবিষ্যদ্বাণী করছে অগ্নির ৬৪নং মন্ত্রে, বলা হচ্ছে যে, এ ঋষি, তিনি তার মায়ের দুধ পান করবেন না। আমরা জানি নবী করীম (স.) তাঁর মায়ের দুধ পান করেননি।

আর বিবি হালিমা ছিলেন তাঁর দুধ মাতা। এছাড়াও নবী করীম (স.) কে বলা হয়েছে ‘আহমাদ’। অর্থাৎ যিনি প্রশংসা করেন।
উত্তরচিকার ১৫০০ নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- এবং ইন্দ্রের ২নং অধ্যায়ের ১৫২নং মন্ত্রে, যজুর্বেদের ৩১ অধ্যায়ের ১৮নং অনুচ্ছেদের, বেদের ৮নং গ্রন্থের ৬নং অনুচ্ছেদের ১০নং মন্ত্র, অথর্ববেদের ৮নং বইয়ের ৫নং অনুচ্ছেদের ১৬নং মন্ত্র, অথর্ববেদের ২০নং বইয়ের ১২৬নং অনুচ্ছেদের ১৪নং মন্ত্রে আছে যে- নবীজি মুহাম্মদ (স.)কে আহমদ ডাকার পাশাপাশি তাঁকে আরেক নামে ডাকা হয়েছে। আর সেটা ‘নরশাংসী’। এর প্রথম অংশ নর যার অর্থ মানুষ বা ব্যক্তি আর ‘শাংসা’ এর মূল শব্দ হলো প্রশংসা যার অর্থ যে মানুষ প্রশংসনীয়। তাহলে নবীজি (স.) কে মোহাম্মদ বলে হিন্দু ধর্ম গ্রন্থগুলোর অনেক
জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋগবেদের ১নং গ্রন্থের ১৩ নং অনুচ্ছেদের ৩নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- ঋগবেদের ১নং গ্রন্থের ১৮নং অনুচ্ছেদের ৯নং মন্ত্রে, ঋগবেদের ১নং গ্রন্থের ১০৬ নং অনুচ্ছেদের ৪নং মন্ত্র, ঋগবেদের ১নং গ্রন্থের ১৪২নং অনুচ্ছেদের ৩নং মন্ত্র, ঋগবেদের ২নং গ্রন্থের ৩নং অনুচ্ছেদে ২নং মন্ত্র, ঋগবেদের ৫নং গ্রন্থের ৫নং অনুচ্ছেদ ২নং মন্ত্র, ঋগবেদের ৭নং গ্রন্থের ২নং অনুচ্ছেদের ২নং মন্ত্র, ঋগবেদের ১০নং গ্রন্থের ৬৪নং
অনুচ্ছেদের ৩নং মন্ত্র, ঋগবেদের ১০নং গ্রন্থ ১৮২নং অনুচ্ছেদ ২নং মন্ত্র, যজুর্বেদের ২০নং অধ্যায়ের ৩৭নং অনুচ্ছেদ যজুর্বেদের ২০নং অধ্যায়ের ৫৭নং অনুচ্ছেদ, যজুর্বেদের ২১ অধ্যায়ের ৩১নং অনুচ্ছেদে, যজুর্বেদের ২১নং অধ্যায়ের ৫৫নং অনুচ্ছেদে, যজুর্বেদের ২৮নং অধ্যায়ের ২নং অনুচ্ছেদে, যজুর্বেদের ২৮নং অধ্যায়ের ১৯নং অনুচ্ছেদে, ৪২নং অনুচ্ছেদে এবং সারাদিন শুধু অনেক রেফারেন্স দেয়া যাবে যে হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলোতে নবীজির নাম উল্লেখ করা হয়েছে বহুবার।
আর একটা ভবিষ্যৎ বাণীর কথা বলবো হিন্দু ধর্মে মুহাম্মদ (স.) এর বর্ণনা নিয়ে। আর সেটা হল কলকি অবতার। এটার উল্লেখ আছে ভগবত পুরাণে। ১২নং খণ্ডের ২নং অধ্যায়ের ১৮-২০নং শ্লোকে। বলা হয়েছে যে, ‘বিষ্ণুয়াস নামে একজনের ঘরে যে মহৎ হৃদয়ের ব্রাহ্মণ, যে সাম্বলা নামে একটা গ্রামের প্রধান তার ঘরে জন্মাবে কলকি। তাকে ঈশ্বর উৎকৃষ্ট গুণাবলী দেবেন। আর ঈশ্বর তাকে দিবেন আটটি অলৌকিক শক্তি। তিনি চড়বেন একটা সাদা ঘোড়ায়। তার ডান হাতে থাকবে একটি তরবারি’। এরপর ভগবত পুরাণে ১নং খণ্ডে তৃতীয় অধ্যায়ের ২৫নং মন্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে-‘কলি যুগে যখন রাজারা হবে ডাকাতের মত, সে সময় বিষ্ণুয়াসের ঘরে জন্ম নিবে কলি,’ এছাড়াও পুরাণের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৪নং মন্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- ‘বিষ্ণুয়াস নামে এক ব্যক্তির ঘরে, যিনি মহত হৃদয় ব্রাহ্মণ, যিনি সাম্বালা গ্রামের প্রধান তার ঘরে জন্মাবে কলি।’ কলকি পুরাণের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৫নং মন্ত্রে বলা হয়েছে- ‘কলকিকে সাহায্য করবে চারজন সহচর। পাপীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য।’ কলীক পুরাণের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৭নং মন্ত্রে বলা হয়েছে- ‘কলকি অবতারকে যুদ্ধক্ষেত্রে দেবদূত বা ফেরেশতারা সাহায্য করবে।’

কলকি পুরাণের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১১নং মন্ত্রে হলা হয়েছে- ‘বিষ্ণুয়াস নামে এক ব্যক্তির ঘরে সুমতির গর্ভে জন্মাবে কলকি অবতার।’ আবার ১৫নং মন্ত্রে বলা হচ্ছে- তিনি মাধব মাসের দ্বাদশ দিনে জন্মগ্রহণ করবেন।

এক কথায় হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে এ কথাগুলো কলকি অবতার সম্পর্কে বলছে। আমি এবারে এই কথাগুলো সাজিয়ে আরো সংক্ষেপে বলছি। প্রথম-তার বাবার নাম হবে বিষ্ণুয়াস। ‘বিষ্ণু’ মানে ঈশ্বর আর ইয়াস মানে ভৃত্য। অর্থাৎ ঈশ্বরের ভৃত্য। এটার আরবি করলে হবে আব্দুল্লাহ। অর্থাৎ মুহাম্মদ (স.)-এর বাবা। তাঁর মায়ের নাম হবে সুমতি। ‘সুমতি’ এই সংস্কৃত শব্দের অর্থ প্রশান্ত, প্রশান্তি, শান্তি। এটার আরবি করলে হবে ‘আমিনাহ’। অর্থাৎ মুহাম্মদ (স.)-এর আম্মা। বলা হয়েছে তিনি জন্ম নিবেন সাম্বালা নামে একটি গ্রামে। ‘সাম্বালা’ মানে একটি প্রশান্ত এবং শান্তির জায়গা। আমরা জানি মক্কাকে বলে দারুল আমান বা শান্তির ঘর। নবীজি জন্ম নেন মক্কায়। এরপর বলা হয়েছে, তিনি সাম্বালার প্রধান ব্যক্তির ঘরে জন্ম নিবেন। আমরা জানি তিনি মক্কার প্রধান ব্যক্তির ঘরে জন্মেছিলেন। এরপর বলা হয়েছে, তিনি মাধব মাসের দ্বাদশ দিনে জন্মাবেন। আমরা জানি মুহাম্মদ (স.) রবিউল আওয়াল মাসের ১২ তারিখে জন্মেছিলেন। আরো বলা হয়েছে যে, তিনি হবেন শেষ ঋষি বা শেষ নবী।

আমরা জানি, পবিত্র কোরআনের সূরা আহযাবের ৪০নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে- মুহাম্মদ (স.) তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন, তবে তিনি আল্লাহর প্রেরিত রাসুল এবং তিনি নবুওয়াতের সীলমোহর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব বিষয় সম্পর্কে জানেন।’ তাহলে কোরআন বলছে যে, নবীজি (স.) হলেন সর্বশেষ রাসুল।

এরপর বলা হয়েছে যে, এ ঋষি, তিনি তার জ্ঞান পাবেন বা আলোকপ্রাপ্ত হবেন, প্রথমবার-রাতের বেলা একটি গুহার ভেতর, তারপর তিনি উত্তরদিকে রওনা দিয়ে ফিরে আসবেন।
আমরা জানি, মুহাম্মদ (স.) প্রথম ওহী পেয়েছিলেন হেরা গুহায় রাতের বেলায় জবালে নূরে। পবিত্র কোরআনে সূরা দুখানের ২-৩নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে; সূরা ক্বদরের ১নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে-
অর্থ: নিশ্চয় আমি অবতীর্ণ করেছি কোরআন মহিমান্বিত রাতে।

আমরা জানি, মহানবী (স.)মদিনায় হিজরত করেছিলেন, যেটা ছিল মক্কার উত্তরদিকে এবং পরে আবার মক্কায় ফিরে আসেন। আরো বলা হয়েছে যে, ঈশ্বর তাকে দেবেন অতি উৎকৃষ্ট গুণাবলি এবং আটটি অলৌকিক শক্তি। হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ অনুযায়ী এ আটটি অলৌকিক শক্তি হলো- জ্ঞান, আত্মসংযম, জ্ঞান বিতরণ, অভিজাত বংশ পরিচয়, সাহসিকতা, কম কথা বলা, মহানুভবতা এবং পরোপকারিতা।
 
এ আটটি গুণের সবই সর্বশেষ ও চূড়ান্ত নবী মুহাম্মদ (স.)-এর মধ্যে দেখা যায়। তারপর বলা হয়েছে, তিনি হবেন পৃথিবীর সব মানুষের পথ প্রদর্শক। পবিত্র কোরআনে সূরা সাবার ২৮নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে-
অর্থ: আমি তো তোমাকে পাঠিয়েছি পুরো মানুষ জাতির দূত, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে। তবে অধিকাংশ মানুষই এটা জানে না।
এরপর বলা হয়েছে যে, কলকি অবতার চড়বেন একটি সাদা ঘোড়ায়। আমরা জানি যে, নবীজি (স.) বোরাকে চড়েছিলেন যখন তিনি মিরাজে যান। এরপর আরো বলা হয়েছে যে, তাঁর হাতে থাকবে একটি তরবারি। আমরা জানি মুহাম্মদ (স.) যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং আত্মরক্ষার জন্য তাঁর ডান হাতে তরবারি থাকত। এরপর বলা হয়েছে যে, তিনি অজ্ঞ লোকদের পরিচালিত করবেন সরল পথে। আমরা জানি মুহাম্মদ (স.) আরবদেরকে পথ দেখিয়েছিলেন। আরবদের সে সয়মকে বলা হত আইয়্যামে জাহেলিয়া বা অজ্ঞতার যুগ। আর মুহাম্মদ (স.) কোরআন ও আল্লাহর সাহায্যে আরবদের এনেছিলেন অন্ধকার থেকে আলোতে। এরপর বলা হয়েছে, তাঁকে সাহায্য করবে চারজন সহচর। এখানে চারজন প্রধান সাহাবীর কথা বলা হচ্ছে অর্থাৎ খোলাফায়ে রাশেদীন, আবু বকর, ওমর, ওসমান ও আলী (রা.)। তারপর বলা হয়েছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে তাকে দেবদূত বা ফেরেশতারা সাহায্য করবে। পবিত্র আল কোরআনের সূরা ইমরানের ১২৩-১২৫ নম্বর আয়াতে এটা উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব গ্রন্থের লেখকরা নিস্চই ওহীর মাধ্যমেই জানতে পেরেছিলেন এসব ঐশি বানী, তার মানে মহান আল্লাহর ইচ্ছায়ই তারা ঐসব ধর্ম প্রচার করেছিলেন।
শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা: ) এর আগমনের বিষয়ে বিভিন্ন ধর্মের

ভবিষ্যৎ বানী অনুসন্ধান।

"হে লোকগণ, শ্রবন কর। প্রশংসিত জন (নরাশংস) এর সদা প্রশংসা কীর্তণ করি। সে পলাতককে আমরা ষাট হাজার নয় জন শত্রুর মধ্যে পাইলাম।" (অথর্ববেদ, অথ কুন্তাপ সুক্তানিঃ ১)
"সহায় বিহীন সুশ্রবা (প্রশংসিত) নামক রাজার সাথে যুদ্ধ করার জন্য বিশ নরপতি ও ষাট হাজার নিরানব্বই অনুচর এসেছিল।" (ঋগবেদ, মন্ডল-১, সুক্ত-৫৩, মন্ত্র-৯) উল্লেখ্য যে নরাশংস, সুশ্রবা ও মোহাম্মদ এর দ্বারা একই অর্থ - প্রশংসিত ব্যাক্তিকে বোঝায়। আর যার প্রশংসাকীর্তন হচ্ছে সেই, মোহাম্মদ(স) যখন দেশত্যাগী পলাতক তিনি ছিলেন তখন আরববাসীরা সহায় বিহীন। আর
তখন আরবের লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ষাট হাজার এবং ছিল বিশ নরপতি - বিশগগোত্রের বিশ সর্দার বা গোত্রপতি।
"সদা প্রভু সীনয় হতে এলেন,
সেয়ার হতে তাদের প্রতি উদিত হলেন; পারান (আরব) পর্বত হতে আপন তেজ প্রকাশ করলেন।" ( বাইবেল, দ্বিতীয়
বিবরণঃ ৩৩; ২) [বাইবেলের
বর্ণনামতে পারান হল
আরবদেশ। (আদিপুস্তকঃ ২১; ২১)]
সুতরাং দেখা যাচ্ছে আরব দেশের পর্বত হতে শেষ নবীর প্রকাশ ঘটবে। আর মোহাম্মদ (স) এর নবীত্বের ঘোষণা বা
স্বীকৃতি আসে এই আরবের হেরা পর্বতের গুহায়। "যিনি স্ত্রীগণের সাথে বিশটি উটে প্রবাহমান।" (অথর্ববেদ, অথ কুন্তাপ সুক্তানিঃ ২)
উল্লেখ্য যে কয়েকজন স্ত্রীদের সাথে নিয়ে উটের বাহনে মরুভূমিতে যাতায়াত করতেন মোহাম্মদ(স)। ||
"এই শিশুর এই তরুনের কাজ বড়ই বিচিত্র। সে স্তন্যপানের জন্য মায়ের কাছে যায় না। এর মায়ের স্তন্য গ্রহন নেই, তবু এ জন্মমাত্রই মহান দেবপ্রদত্ত কার্যভার গ্রহন করল।" (সামবেদ, আগ্নেয় কান্ডঃ ৬৪)
উল্লেখ্য যে মোহাম্মদ(স) শিশুকালে তার মাতার দ্বারা প্রতিপালিত হননি এবং মায়ের দুধ পান করেননি বরং হালিমা নামী এক ধাত্রীর স্তন্য পান করে ও তার দ্বারা প্রতিপালিত হয়ে শৈশবকাল কাটান তিনি।"
"দশ হাজার অনুচর সহ -
"••• নিখিল বিশ্বের হিতকারী দশ হাজার অনুচরসহ বিখ্যাত হবেন।" - [ঋগবেদঃ
(৫;২৭; ১) (১;৯৪; ১৬) (১; ৯৬; ৯) (১; ৯৮ ; ৩) (১; ১০৫; ১৯) (১; ১0৭ ; ৩) (১; ১০৯; ৮)]

"দেখ, সদাপ্রভু দশ হাজার সাধুগণের সহকারে আগমন করেছেন।" ( যীহুদাঃ ১; ১৪)
"তিনি দশ হাজার সাধুগণের সাথে এলেন। ( বাইবেল, দ্বিতীয় বিবরণঃ ৩৩; ২) আর মোহাম্মদ(স) যুদ্ধজয়ী হয়ে দশ হাজার অনুচরসহ মক্কায় আগমন করেন। (Washington Irving, Life of Muhammad, page-17)

"অতএব আমি তোমাদের বলছি, পরমেশ্বরের রাজত্ব তোমাদের নিকট হতে কেড়ে নেওয়া হবে এবং তা এমন এক জাতিকে প্রদান করা হবে যারা তার ফল আনয়ন করবে।" (বাইবেল, মথিঃ ২১; ৪৩) অর্থাৎ যীশুর পরবর্তী নবী বা
ঋষির রাজত্ব হবে যীশুর রাজ্য ইসরাইলে নয়, অন্য রাজ্যে। আর
মোহাম্মদের(স) রাজ্যও ছিল ইসরাইলের বাইরে আরবে তথা বাইবেল মতে ।

"•• কিন্তু তিনি, আমার পর যিনি আবির্ভুত হবেন তিনি আমার অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী। আমি তার জুতা বহন করারও যোগ্য নই।" (বাইবেল, মথিঃ ৩; ১১)
অর্থাৎ তার সন্মান হবে যীশুরও উপরে। যা একমাত্র মোহাম্মদ (স) এর জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে।
"আমি তোমাদের সাথে আর বেশি কিছু বলিতে চাই না। কারণ এই জগতের সম্রাট আসিতেছেন।" (বাইবেল, জোহনঃ ১৪; ৩০). ।" অতএব এরপর আর এই জগতের সম্রাট শেষ নবী/ঋষিকে চিনে
নিতে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকে কি ?
(সংগৃহীত)

হিন্দু ধর্মে শেষ অবতার কল্কির সাথে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর ১৪ টি অসাধারন মিলঃ

যখনই আপনি কল্কি অবতারের সাথে শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ সঃ এর কতিপয় মিল দেখাবেন, মুর্খ হিন্দুরা সাথে সাথে কতগুলো অমিল কপিপেষ্ট করবে আপনার সামনে এটা দেখাতে যে মুহাম্মদ সঃ কল্কি নয়। এইসব হিন্দুরা যে কতবড় অজ্ঞ তা আর কি বলব ? আপনি যদি এদের জিজ্ঞেস করেন, পুরাণ কি একশ ভাগ সঠিক ? উত্তর আসবে, না। পুরাণ হচ্ছে মুল সত্যের একটি আলেখ্য যা যুগে যুগে মানুষের হাতে বিকৃত হয়েছে তা হিন্দুরাও মানে এবং স্বীকার করে।যেমন গীতা বা মহাভারতের উদার যোদ্ধা কৃষ্ণ এবং ব্রাক্ষ্ম বৈবর্ত পুরাণের শৃঙ্গার পারদর্শী কামুক কৃষ্ণের যে আকাশ পাতাল তফাত তা হিন্দুরাও জানে। আবার বেদের ব্রাক্ষা, যাকে বৈদিক ধর্মের অনুসারীরা প্রধান ঈশ্বর বলে জানে, পুরাণে তাকে দেখা যায় নিজ কন্যার সাথে মিলিত হতে । এখন হিন্দুরা পুরাণে উল্লিখিত ব্রাক্ষা বা কৃষ্ণের বিকৃত আচরনের অংশ কি মানবে ? মোটেই না। তাই পুরাণ হচ্ছে কোণ একটা সত্য বা চরিত্রের আলেখ্য মাত্র, যার সাথে মুল কাহিনী বা চরিত্রের প্রভুত পার্থক্য থাকতে পারে। ছিটাফোটা অবিকৃতের মাঝে প্রকৃতের আভাসই হচ্ছে একমাত্র উপায়।তাই পুরানে উল্লিখিত কল্কি বা শেষ অবতারের সাথে ঐতিহাসিকভাবে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর যে ১৪ টি অংশ অসাধারনভাবে মিলে যায়, তা হচ্ছে,
 
  • কল্কি হচ্ছেন সর্বশেষ অবতার। এরপরে আর কোন অবতার আসবে না।অপরদিকে মুহাম্মদ সঃ ও হচ্ছেন সর্বশেষ নবী, তারপরে আর কোন নবি আসবেনা। আর অবতার মানেই যে ঈশ্বর হবে এমন না।এর আরেকটিই অর্থ হচ্ছে বার্তাবাহক। হিন্দুদের আধুনিক স্কলাররা অবতার হিসেবে ঈশ্বরকে বাদ দিয়েছেন। বেদেও কোথাও ঈশ্বরের অবতারবাদ নেই। আর পৌরানিক অবতার দেবদেবীর সাথে পরমব্রক্ষ নারায়নপদের সাথে রয়েছে বিস্তর ফারাক। হিন্দু স্কলাররাই অবতার হিসেবে পরমাত্তাকে মানে না, যেমন আর্য সমাজ। তারা এমন কি রাম কৃষ্ণকেও ঈশ্বর মানেন না, বরং মানূষ ভাবেন। তাই স্বাভাবিকভাবে আমরা বলতে পারি যে কল্কি হচ্ছেন ঈস্বরের সর্বশেষ বার্তাবাহক আর নবিজি মুহাম্মদ সঃ ও ছিলেন সৃষ্টিকর্তার সর্বশেষ নবি বা বার্তাবাহক।
  • কল্কিপুরান এ বলা হয়েছে কল্কি আসবেন মুর্তিপুজা ও বিভিন্ন দেবদেবী পুজার বিলোপ সাধনে, (কল্কি পুরাণ ৩০/৩) “পুর্বযুগে পুজক দ্বিজাতিরা নানাবিধ অলংকার দ্বারা অলংকৃত দেবমূর্তিসমুহকে ইন্দ্রজালিকবত ব্যবহার করে সকলকে মোহিত করতো, তা বিলোপ করা হবে।” সেই সাথে কল্কির দ্বারা তিলক টিকি চিহ্নধারণ সাধু-সন্যাস বিলুপ্ত করা হবে (কল্কিপুরাণঃ ৩০; ৪) অপরদিকে মানব ইতিহাসে এমন একজনকেই পাওয়া যায় যিনি এসেছিলেন বিভিন্ন দেবদেবী ও মুর্তিপুজার বিলোপ সাধনে, তিনি হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ সঃ। সেই সাথে তিনি এইসব সাধুসন্নাসীর ধর্ম এবং তিলক টিকাও নিষিদ্ধ করেছেন, ইসলামে তিলক টিকা ও সাধুসন্যাসীর কোন স্থান নেই। কোন বিবেকবান মানুষকে এই একটি পয়েন্ট দেখানোই যথেস্ট পুরাণে উল্লিখিত কল্কির আসল পরিচয় বুঝানোর জন্য।
  • (কল্কি পুরান২/৫) বলা হয়েছে, কল্কি এসেছেন কালি (সাপরুপী শয়তানের অবতার) কে মোকাবেলা করতে, তার সাথে থাকবে তার ভাই ৪ সংগী । অপরদিকে আমরা জানি নবিজি সঃ এসেছিলেন শয়তানকে দমনে, আর তার ছিলেন চার ভাই স্বরুপ সংগী, চার খলীফা।
   (কল্কিপুরান ২/২৪) কল্কির জন্ম হবে প্রধান পুরোহিতের ঘরে। এবং তারা বংশগতভাবেই প্রধান পুরোহিত। আর ঐতিহাসিকভাবে নবিজির পিতাও ছিলেন মক্কার প্রধান প্রীস্ট এবং সেই সাথে তারাও ছিল বংশগতভাবে মক্কা মোজামার প্রধান প্রিস্ট (এডওয়ার্ড গিবন, Decline And Fall Of Roman Empire, vol-5, page-229
  • কল্কি জন্ম নিবে সাম্বাল গ্রামে, যার অর্থ শান্তির জায়গা, অপরদিকে নবিজি মক্কায় জন্ম নিয়েছিলেন , আর মক্কাকে বলা হয় শান্তির শহর, এছাড়াও প্রাচীন ভারতের পন্ডিতরা পৃথিবির স্থলভাগকে যে ৭ টী ভাগে ভাগ করেছিল, সেখানে সাম্বালা দ্বারা তারা বুঝাত আরব ভুমিকে। ( A History of ancient india by RC Dutt vol-3 )
  • কল্কি দীক্ষা নিবে পরশুরামের কাছে একটি গুহায়, হিন্দুরা এখানে মিথ্যাচার করে বলে যে কল্কি নাকি দীক্ষা নিবে হিমালয় এর গুহায় যা ডাহা মিথ্যাচার। কল্কিপুরানের কোথাও এই কথা নেই। (কল্কিপুরান ৩/১) এ বলা আছে, কল্কি দীক্ষা নিবেন মহেন্দ্র পর্বতে। এই মহেন্দ্র পর্বত একটিই কাল্পনিক পর্বত যার অস্তিত্ত পাওয়া যায় মহাভারতে।এবার দেখুন কি অসাধারন মিল।মহেন্দ্র শব্দের অর্থ, মহা যে ইন্দ্র, অর্থাৎ যাহা মহা আলোকিত। ইন্দ্র আলোর প্রতীক কারন ইন্দ্রই হচ্ছে সুর্য (রিগবেদ
১/১২১/২) তাই মহেন্দ্র পর্বত মানে মহা আলোকিত পর্বত।অপরদিকে নবিজি মুহাম্মদ সঃ দীক্ষা নিয়েছিলেন হেরা গুহায়, যাকে বলা হয় “জাবাল এ নূর” অর্থাৎ আলোকিত গুহা।
  • (কল্কি পুরান ২/৪৭-৪৮) কল্কি তার নিজের দেশ ত্যাগ করবে এলাকাবাশি তথা এলাকার ব্রাক্ষনদের হতে বিরক্ত ও উতপীড়িত হয়ে, কারন গ্রামের ব্রাক্ষনরা সব শয়তানের পাল্লায় পরে বিভিন্ন অধর্ম ও অপকর্মে লিপ্ত হয়। অন্যদিকে, নবিজি মুহাম্মদ সঃ ও তার নিজ আবাসভুমি মক্কা ত্যাগ করেছিলেন, মুর্তিপুজা ও পাপকাজে লিপ্ত থাকা এলাকাবাসী এবং সমসাময়িক ধর্মগুরুদের হতে উতপিড়িত হয়ে। ইতিহাসে তা হিজরত নামে পরিচিত।
  • (কল্কি ৮/২২) কল্কি হবেন ধর্মের মুল তত্তের পুনপ্রবর্তক, যা মানুষ ভুলে গেছে।আর সকল ধর্মের মুল তত্তই হচ্ছে ঈশ্বরের একত্তবাদ বেদ বাইবেল কোরান সবখানে।আর নবিজি মুহাম্মদ সঃ সেই ১৪০০ বছর আগে ধর্মের সেই মূল তত্তই পুনঃপ্রতিষ্টায়ই এসেছিলেন যা মানুষ ভুলে গিয়ে বহু ঈশ্বরবাদের পুজা শুরু করেছিল। এজন্য ইসলাম এর মূল তাওহীদবাদ। আর কল্কিপুরান ৩০/৩ অনুসারে কল্কি বিভিন্ন দেবদেবি ও মুর্তিপুজারও অবসান ঘটাবে যা আগেই বলেছি।
  • (কল্কি পুরান ৮/৩০-৩২)কল্কি আবার নিজ অঞ্চলে ফিরে এসে একে দখল করবেন এবং শত্রু হতে একে মুক্ত করে পুনঃপ্রতিষ্টা করবনে , অপরদিকে নবিজী মুহাম্মদ সঃ ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে তার মাত্রভূমি মক্কায় ফিরে এসে তা শত্রু হতে মুক্ত করেন এবং এখানে পুনঃ দখল করেন।
  • কল্কি আসবে এমন সময় যেময় মুলত রাজাদের রাজত্ চলবে, অর্থাৎ রাজকীয় শাসন পরিচালিত হবে। আর আমরা জানি রাজাদের শাসন অনেক আগে থেকেই পৃথিবি থেকে বিলুপ্ত হয়েছিল। কল্কি পুরান ৩/১০ অনুযায়ী কল্কি সকল শয়তানের উপাস্য রাজাদের বধ করেবন। কল্কি এসে ঘোড়ায় চড়ে হাতে তরোয়াল নিয়ে যুদ্ধ করবে, আর এটাই সবচেয়ে বড় প্রমান যে ভবিশ্যতে কোন কল্কি আসবে না , কারন ভবিশ্যত পৃথিবি হচ্ছে পারমানবিক অস্ত্রের যুগ, সেখানে কেউ ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধে নামবে না।অপরদিকে নবিজি যেসময় এসেছিলেন সেটাই ছিল রাজ শাসন, রাজ্যে বহু রাজা পৌত্তলিক রাজা ছিলেন। নবিজি যুদ্ধে তাদের পরাজিত করেন। নবিজি ঘোড়ায় চড়েই যুদ্ধে লিপ্ত হতেন, এবং তার হাতে শোভা পেত তরোবারী। যুদ্ধের এই দৃশ্য পৃথিবি থেকে অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে।তাই ভবিষ্যতে এই দৃশ্য দেখার সম্ভাবনা নাই।
 
  • (কল্কি পুরান ২/২৮) কল্কি এমন সময় আসবে যখন মানুষ একে অপরের সাথে অহেতুক ঝগড়া আর মারামারিতে লিপ্ত থাকবে।অপরদিকে নবিজি যখন আরবে এসেছিলেন তখন মক্কা বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত ছিল। আর এই গোত্র কারন বা কারন ছাড়াই সবসময় একে অপরের সাথে কলহে লিপ্ত থাকত
  • (কল্কি পুরান ১/৩০-৩৭ ) রাজারা তাদের দাসের সাথে অমানবিক ব্যাবহার করবে। তাদের কারনে বিনা কারনে মারধর করবে। যা কল্কি এসে দূর করবে।আর ১৪০০ বছরের আরবের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে আগে যে জিনিসটা সামনে আসে তা হচ্ছে দাস এর প্রতি মনিবের ব্যাবহার। তারা দাসের সাথে অমানবিক ব্যাবহার করত। ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন বেলাল রাঃ কে তার মনিব পাথর চাপা দিয়ে কস্ট দিত। আর এই দাস ব্যাবস্তাহ নবিজি আসার পরে দূর হয়। নবিজি এসেই ঘোষোনা দেন, তোমার দাস তোমার ভাই। তুমি যা খাবে তাকেও তা দিবে। যা পড়বে তাকে তাই পড়তে দিবে।
  • (ভগবত পুরান ১২/২/১৬) কল্কির কিছু গুনের কথা আছে, ঘোড়ায় চড়া তরোয়ার হাতে ইত্যাদি (যা নবিজিরো ছিল) সেখানে আরো বলা আছে বিশেষ করে কল্কির শরীরের ঘ্রানের কথা। বলা আছে তার শরীরের ঘ্রান হবে অপুর্ব মনোমুগ্ধকর। যা মানুষের হ্রদয়ে আন্দোলিত করবে।আর নবিজি মুহাম্মদ সঃ ছিলেন তার শারীরিক ঘ্রানের জন্য বিখ্যাত। যখন কেউ নবিজির সাথে হাত মিলাত সে সারাদিন সেই হাতে অপুর্ব গন্ধ উপভোগ করত। স্যার উইলিয়াম মুর, তার Life Of Prophet Muhammad বইয়েও নবিজির এই অপুর্ব ঘ্রানের কথা উল্লেখ করে ৩৪২ পৃষ্টায় লিখেছেন, “অনেকেই নবিজির কক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে থাকত শুধু নবিজির শরীরের অপুর্ব ঘ্রান নেবার জন্য”
  • কল্কিকে যুদ্ধে দেবতারা সহায়তা করবে, অপরদিকে নবিজিকেও আল্লাহ বদর যুদ্ধে ফেরেশতা পাঠিয়ে সহায়তা করেছেন।
  • কল্কি পাবে প্রভুর কাছ থেকে একটি ঘোড়া যার গতি হবে অপরিমেয়,অপরদিকে নবিজিও আল্লাহর কাছ থেকে বোরাক নামে একটি ঘোড়া পেয়েছিলেন যার গতি ছিল অপরিমেয়। মজার বিষোয় হচ্ছে উইকিপিডীয়ায় বোরাক এর যে আকা ছবি আছে , কল্কির উইকিতে কল্কির ঘড়ার ছবিও হুবহু একই । সংগত কারনেই ছবি দেয়ার প্রয়োজন মনে করলাম না । তবে কেউ চাইলে গুগল করে দেখতে পারেন।

             ----------------------------------------------------------------------------------------------
 
সংগ্রহীত : ইন্টারনেট মাধ্যম ও পুস্তক সংগ্রহকরণ দায়িত্বে : মালিকের অদম বান্দা-খলিলুর রহমান
 
 
 
click here to edit text click here to edit text click here to edit text click here to edit text click here to edit text click here to edit text.
 
We Want to give Best BDWORLD News Site Service For You. Keep Ahead Our BDWORLD Site
 
 

About Us

Contact Us

bdwork@gmx.com
      

Livecity - Website Builder